আশুলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মালামালসহ ডাকাতি ও প্রমান লোপাটের সরঞ্জাম উদ্ধার

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

  আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি:

সাভারের আশুলিয়ার গকুলনগর এলাকা থেকে  বিপুল পরিমাণ ডাকাতির মালামাল সহ ডাকাতি ও প্রমান লোপাটের সরঞ্জাম উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। 

 মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১১টায় শিবচর থানার ফোর্স সহ এই অভিযান পরিচালনা করেন শিবচর সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার  (এএসপি) মো. সালাউদ্দিন কাদের। এর আগে  ৮ জানুয়ারি রাতে মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাচামারা এলাকায় এ ডাকাতির ঘটনাটি  ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সর জমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশুলিয়ার গকুলনগর এলাকার বাসিন্দা মো. খলিল এর ছেলে মো. মেহেদী হাসান  আতিক (২৭) এর মালিকানাধীন একটি  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে সেদিন ডাকাতি করে আনা  ৪৬২ টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার, দেশী অস্ত্র, ডাকাতি ও প্রমাণ লোপাটের  সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক আতিক কিংবা তার পরিবারের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে গ্যাস বের করে সিলিন্ডার কেটে আলাদা করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার আলামত পাওয়া যায়।

এলাকাবাসী বলেন, এই আতিক  গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসার পাশাপাশি সুদ ও সমবায় সমিতির ব্যবসা করতেন। এছাড়া পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দলের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকার কথাও জানান তারা।

শিবচর সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার  (এএসপি) মোঃ সালাউদ্দিন কাদের বলেন, ৮ জানুয়ারি রাতে মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাচামারা এলাকায় এক্সপ্রেসওয়েতে অন্য একটি ট্রাক দিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বহনকারী ট্রাকটির গতিরোধ করে ড্রাইভারকে কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে গ্যাস বুঝাই ট্রাক নিয়ে ডাকাত দল পালিয়ে আসে। পরে সাভারের আশুলিয়া থানার গকুলনগর এলাকার আতিক ট্রেডার্স এন্ড ক্রোকারীজ  নামের এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে এসে ট্রাক থেকে সিলিন্ডার আনলোড করে ট্রাকটি আবার চলে যায়।  তারই প্রেক্ষিতে ট্রাকটি উদ্ধারের পর এখানে অভিযান চালানো হয়।

শিবচর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) ও এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আই ও) ইমরান শেখ জানান, তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে আমরা তিন দিন রেকি করার উদ্দেশ্যে সাদা পোশাকে ঘুরে দেখি।  নিশ্চিত হওয়ার পর আশুলিয়া থানা থেকে রিকুইজিশন নিয়ে এখানে অভিযান চালাই। এ সময় ডাকাতির ঘটনার সাথে আতিকের সরাসরি যুক্ত থাকার কথাও জানান এই কর্মকর্তা।

এদিকে আহত ট্রাক ড্রাইভার এর কথা জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, ট্রাকের গতিরোধ করার পর ড্রাইভারকে চাপাতি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে  কুপিয়ে জখম করে মুমূর্ষ অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে যায় ডাকাতরা। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে তার শরীরে প্রায় ১৫ টি আঘাতের তথ্য নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। 

আমার বার্তা/মো. মাসুম কবির/এমই