প্রশ্ন ফাঁসের গুজব রোধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফাইল ছবি

প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ‎শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ‎তিনি বলেন, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে গুজব ছড়ানো হলেও তা যাচাই না করে প্রচার করলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

‎রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

‎মন্ত্রী বলেন, গুজব কে ছড়াচ্ছে, সেটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি যাচাই ছাড়া তা প্রচার করা আরও বড় সমস্যা। একটি সংবাদ প্রকাশের আগে সেটির সত্যতা যাচাই করা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য অনেক সময় ‘ইনস্ট্যান্ট’ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।

‎গুজব রোধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা গুজব ছড়াচ্ছে কিংবা যাচাই ছাড়া প্রচার করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও নেওয়া হবে।

‎এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, সরকার সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। এখন পর্যন্ত পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতিতে আমি সন্তুষ্ট। অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমরা ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি।

‎এইচএসসি পরীক্ষার সেশনজট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ সমস্যার সমাধানে শিক্ষা বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। দুই বছরের কোর্স নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করে ডিসেম্বরের মধ্যেই সব পরীক্ষা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু করতে চাই, যাতে কোনো ধরনের অপেক্ষার সময় না থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও যেন দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে, সে বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।

‎গুজব প্রতিরোধ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা পরিচালনায় সবার সহযোগিতা কামনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সচেতনতা ছাড়া এ ধরনের সমস্যা রোধ করা সম্ভব নয়। আমরা চাই, আমাদের কারণে কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হোক।’

‎এসময় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুর কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।


আমার বার্তা/এমই