৬২৬ ভিসা অটো ক্যান্সেল: নবায়নের জন্য ৪১৭ জনের তা‌লিকা গেল আমিরাতে

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৮:১২ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ৬২৬ বাংলাদেশির ভিসা অ‌টো ক‌্যা‌ন্সেল হ‌য়ে‌ছে। এ‌দের ম‌ধ্যে ৪১৭ জ‌নের ভিসা নবায়নের জন্য আমিরাত সরকার‌কে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে। বৃহস্প‌তিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রাল‌য়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শে‌ষে এ তথ্য দি‌য়ে‌ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা‌য়েদ ইসলাম।

 

শ্যামা ওবায়েদ বলেন, এটি কেবল বাংলাদেশিদের জন্য নয়, পাকিস্তান, মিশর, ফিলিপাইন ও নেপালের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে দেশের আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাতিল হওয়া ৬২৬ জনের মধ্যে ৪১৭ জনের তালিকা ভিসা নবায়নের জন্য ইতোমধ্যে আরব আমিরাত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর সাথেও দূতাবাস যোগাযোগ করছে যেন শ্রমিকদের দায়-দায়িত্ব কোম্পানিগুলো গ্রহণ করে।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় ভুয়া বা নকল নথিপত্র ব্যবহারের কারণে শ্রমিকরা বিপদে পড়েন, যা বৈধভাবে যাওয়া শ্রমিকদের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আগামীতে তা কমিয়ে আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার ২০১৩ সালের অভিবাসন আইন সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করা হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নেপাল বা অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের কর্মীদের বিদেশ যাওয়ার খরচ অনেক বেশি (প্রায় ৩-৪ লাখ টাকা বেশি)। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অভিবাসন ব্যয় কমানোর জন্য এবং দালাল চক্র রোধে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি ‘মাইগ্রেশন উইং’ খোলা হয়েছে যাতে অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করা যায়।

শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, মিয়ানমারের কারাগারে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এখন পর্যন্ত ২৭ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে যাদের প্রিলিমিনারিভাবে ফিরিয়ে আনা হবে। বিজিবিসহ অন্যান্য সংস্থা এ বিষয়ে আরকান আর্মির সাথে জটিল পরিস্থিতিতেও কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, চেন্নাইতে আটকে পড়া কিছু বাংলাদেশিকে সম্প্রতি সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দালালের মাধ্যমে লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে তৃণমূল পর্যায়ে (৬৪ জেলায়) জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ চলছে।

 


আমার বার্তা/এমই