ই-পেপার শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

জনগণের সঙ্গে বেইমানি করব না, ভয়ভীতিতেও পিছু হটব না: জামায়াত আমির

আমার বার্তা অনলাইন:
৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪:৩৯

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদেরকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। আপনাদেরকেও (শহীদ ও আহত পরিবার) দেখানো হচ্ছে। আল্লাহর কসম, আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করি না। কেন ভয় করব? আমাদের নেতৃবৃন্দ ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছেন, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করা যাবে না। আমরা সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। আমরা মনে করি, প্রতি মুহূর্তে ফাঁসির মঞ্চের ওপরই আছি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে আইডিবির কাউন্সিল হলে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষ চেয়েছিল একটি আমূল পরিবর্তন আসুক। কিন্তু এখন আবার দেশকে সেই পুরোনো অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। সেই সরকারের আমলে শিক্ষাঙ্গনগুলো ছিল সবচেয়ে খারাপ। গেস্টরুম, গণরুম করে সেখানে টর্চার সেল গঠন করা হয়েছিল। এমনকি মেয়েদের হল পর্যন্ত সেই অবস্থা থেকে আল্লাহ তাআলা আমাদের নাজাত দিলেন। এখন মনে হচ্ছে আবার আমরা সেই একই অন্ধকার গলিতে ঢুকে যাচ্ছি।

শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কী করবে? জামায়াতে ইসলামী কি সেই অন্ধকার গলিপথে হাঁটবে? ইনশাআল্লাহ, না। আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি, এই জুলাই বিপ্লব হওয়ার পর থেকে যতগুলো কথা বলেছি, আল্লাহ আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখলে তার সবটুকু আমরা পালন করব। আমাদের হাতে সবকিছু নেই। আমরা সরকারে যাইনি, কোনো আফসোস নেই। কিন্তু আমরা সংসদে তো আছি। সংসদে দেশবাসীর হয়ে, শহীদদের কণ্ঠ হয়ে আমরা চিৎকার করতে থাকব ইনশাআল্লাহ।

জামায়াতের শীর্ষ এই নেতা বলেন, আমাদেরকে আপসের অনেক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অনেক লোভ-টোপ বিভিন্নভাবে দেওয়া হয়েছে। আমরা এ পর্যন্ত এগুলো ঘৃণা করে প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা বলেছি, গণভোট আপনারা চাইলেন, আমরা চাইলাম। এখন আপনারা মানেন না। কিন্তু আমরা আমাদের জায়গায় আছি। আমরা এখান থেকে সরতে পারব না। জনগণের সঙ্গে আমরা বেইমানি করতে পারব না, করবও না। আপনারা দোয়া করবেন, আমাদের ওয়াদার ওপর আমরা যেন টিকে থাকতে পারি।

তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা আশাবাদী, গণভোটের গণরায় এই বাংলার জমিনে বাস্তবায়ন হবে।

বিচারের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, আমরা প্রতিশোধ চাই না। কিন্তু বিচারটা কি পাব না? শুধু কারো বাবার বিচার, নিজের বিচার, মায়ের বিচার, বোনের বিচার, ভাইয়ের বিচার হবে, আর এই দেশের নিরীহ জনগণ যারা শহীদ হয়েছেন তাদের হত্যাকারীদের বিচার হবে না? সেই বিচারও ইনশাআল্লাহ এই বাংলার মাটিতে হবে। কোনো কোনো বিচার এই দেশে ৫০ বছর পরে হয়েছে, কোনটা ২১ বছর পরে হয়েছে। আমরা কথা দিচ্ছি, এই বিচারও ইনশাআল্লাহ হবে। যেদিন, যে মাস, যে বছরই হোক, হবে ইনশাআল্লাহ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিচারের দাবি আমরা ছেড়ে দেব না। আমরা ছেড়ে দেওয়ার কেউ নই। আমরা ওয়াদাবদ্ধ। এই ওয়াদা বাস্তবায়ন করব। আমরা সরকারের কাছে খোলামনে আহ্বান জানাব, ভুল মানুষের হয়, দলের হয়, সরকারের হয়, বিরোধী দলের হয়, সবারই হতে পারে। আমরা মনে করি, সুস্পষ্টভাবে আপনারা জাতির সঙ্গে দেওয়া কথা লঙ্ঘন করেছেন। জাতির সঙ্গে বিশ্বাস রক্ষা করেননি, বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আপনারা ফিরে আসেন, এই দাবি মেনে নেন। ডান-বাম করা বাদ দিয়ে সোজা চলেন। জাতি কঠিন সংকটে। আপনাদের পাশে থেকে এই দেশকে গড়বে ইনশাআল্লাহ। কারণ আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি।

তিনি বলেন, সমস্ত শক্তি ও কুদরত আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের। অহংকার করে কেউ যেন পথে না পড়ে। আল্লাহ বিশাল বাহিনীর ওপর ক্ষুদ্র বাহিনীকে বিজয় দিয়েছেন, ইতিহাসে বারবার দিয়েছেন। সেই বিজয় আমরা দেখেছি। আমাদের সন্তানরা হাতে কোনো অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নামেনি। ঈমানের অস্ত্র বুকে ধারণ করে, আল্লাহর ওপর ভরসা করে, দেশপ্রেম ও মানবপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা খালি হাতে মোকাবিলা করেছে। সমস্ত অস্ত্র, গুলি, বারুদ সেদিন ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল। এটি বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এই দেশের মানুষকে, যুবসমাজকে ভয় দেখাবেন না। জুলাই যোদ্ধাদের ওপর বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ হচ্ছে। আমাদের ওপরও আক্রমণ হচ্ছে। আমাদের দোষ একটাই, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলছি।

তিনি বলেন, আক্রমণ করেন, অসুবিধা নেই। করতে করতে কে কোথায় গিয়ে পালায় আর ডুবে, আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। কিন্তু জাতির অধিকারের জন্য আমরা যা বলার, বলে যাব। আমাদের মুখ কেউ বন্ধ করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, বীরদের আকাঙ্ক্ষা পদদলিত হলে এই জাতি গোলামের জাতিতে পরিণত হবে। আমরা গোলাম হয়ে একদিনও বাঁচতে চাই না। গোলাম হয়ে এক বছর, এক যুগও বাঁচতে চাই না। বরং আমরা বীর হয়ে এক সেকেন্ড বাঁচতে চাই।

মতবিনিময় সভায় শহীদ পরিবার, আহত জুলাই যোদ্ধা পরিবার ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আমার বার্তা/এমই

এনসিপি নতুন বন্দোবস্তের নামে ভণ্ডবস্তের রাজনীতি শুরু করেছে: রাশেদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘এনসিপি বাংলাদেশে নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে ভণ্ডবস্তের

সমাজে আইনের শাসন থাকলে অপরাধীচক্র গড়ে উঠত না: রিজভী

কোনো অপরাধী চক্রের কতটা প্রভাব রয়েছে, তা না দেখে মানব পাচারকারীদের দমন করাই মূল উদ্দেশ্য

জুলাই ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নয়, জাতির অর্জন: সেতুমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়, বরং এটি সমগ্র জাতির

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ চায় জামায়াত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সেই
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অপরিকল্পিত প্রকল্পে জনগণের অর্থের অপচয় করা যাবে না: প্রতিমন্ত্রী

এনসিপি নতুন বন্দোবস্তের নামে ভণ্ডবস্তের রাজনীতি শুরু করেছে: রাশেদ

জুলাইয়ের চেতনাকে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে ব্যবহার করা যাবে না: তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ আমলের সব শিক্ষক-কর্মকর্তার নিয়োগ পর্যালোচনা করবে ঢাবি

আগস্টে অপরিবর্তিত থাকছে ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম

ব্রিকসের মঞ্চে কি গলবে ঢাকা-দিল্লির বরফ, তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির

এখনো জনসমক্ষে আসেননি মোজতবা খামেনি, বাড়ছে জল্পনা

জুলাইবিরোধী অবস্থান: ঢাবির ৬ অধ্যাপককে অব্যাহতি, বরখাস্ত হচ্ছেন সাদেকা হালিম

জনবল সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যখাতে অধিক বরাদ্দ রেখেছে সরকার

৬২৬ ভিসা অটো ক্যান্সেল: নবায়নের জন্য ৪১৭ জনের তা‌লিকা গেল আমিরাতে

৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ

বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে কমল ৯ টাকা

স্পারসোতে নতুন চেয়ারম্যান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ডিজি নিয়োগ

রপ্তানি নীতিতে বড় পরিবর্তন, সুবিধা পাবে ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স ব্যবসায়

সিঙ্গাপুর থেকে আনা হবে এক কার্গো এলএনজি, ব্যয় প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা

হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০০৫: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রযুক্তির পাশাপাশি মানুষের দক্ষতায় বিনিয়োগ জরুরি: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

সমাজে আইনের শাসন থাকলে অপরাধীচক্র গড়ে উঠত না: রিজভী

তৃণমূল থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্ত করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যাওয়ার লক্ষ্য

সিলেটে সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়িতে হামলা, ভেঙে গেছে পেছনের কাচ