
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকালের মধ্যে এই অপমৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটে।
ময়না তদন্তের জন্য ৪টি মরদেহই ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী কোনাপাড়া আদর্শবাগ এলাকার একটি বাসায় গলায় ফাঁস দেয় আশা আক্তার (২৯)। তার ভাই আব্দুল্লাহ আকাশ জানান, আশা একটি পার্লারে চাকরি করতেন। তার স্বামীর সাথে ডিভোর্স হয়ে গেছে। সেই সংসারে একটি মেয়ে রয়েছে। পরবর্তীতে অন্য একটি ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তবে সেই সম্পর্কে টানাপোড়নের কারণে শুক্রবার রাতে ওই বাসায় গলায় ফাঁস দেন তিনি।
খবর পেয়ে বাসায় গিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায়। বাবার নাম আব্দুল কালাম।
এদিকে, ডেমরার পূর্ববক্সনগর এলাকার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় কোহিনূর (৩৬) নামে নারীর মরদেহ। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে ডেমরা থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। তার বাড়ি খুলনার কয়ড়া উপজেলায়।
মিরপুরের ১০ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় গলার ফাঁস দেয়া অবস্থায় পাওয়ায় যায় সানজিদা ইসলাম মিম (১৯) নামে একজনের মরদেহ। শনিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এই ঘটনার পর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে দশটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, বাড্ডা থানার আফতাবনগর বাঘাপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে সুবর্ণা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল প্রতিবেদনে বাড্ডা থানা উপপরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা জানান, ওই বাসায় স্বামীর সাথে থাকতেন সুবর্ণা। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জেরে শুক্রবার রাতে তিনি গলার ফাঁস দেন। খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলায়। বাবার নাম মো. আব্দুল মতিন।
আমার বার্তা/এল/এমই

