
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথে ফিরলেন এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমানের কাছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এর আগে মনোনয়ন জমা নিয়ে তৈরি হয় এক নাটকীয় পরিস্থিতি। গত ২৯ ডিসেম্বর নির্ধারিত সময়ের মাত্র কয়েক মিনিট পরে উপস্থিত হওয়ায় নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। এ ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন আব্দুল্লাহ বাদশা, যা তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।
মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় সংক্ষুব্ধ হয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবার তাকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে আবারও নির্বাচনী মাঠে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হলো এই আলোচিত প্রার্থীর।
মনোনয়ন জমা শেষে আব্দুল্লাহ বাদশা গণমাধ্যমকে জানান, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ করেই তিনি আবেদন জমা দিয়েছেন। খুব শিগগিরই যাচাই-বাছাই শেষে বৈধতা সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে শেরপুর-২ আসনে ‘ঈগল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এখন নজর নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাইয়ের দিকে—চূড়ান্তভাবে প্রার্থী তালিকায় আব্দুল্লাহ বাদশার নাম থাকে কিনা, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

