
মাকে আমরা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, অথচ সবচেয়ে কম বলা হয় তাকে। হাজার ব্যস্ততা, অভিমান আর না বলা অনুভূতির ভিড়ে কিছু অনুভূতি নিঃশব্দেই হৃদয়ের গভীরে জমে থাকে যা কখনো মুখে বলা হয়ে ওঠে না। মা দিবস উপলক্ষে সেই না বলা ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা, অভিমান আর অনুভূতির কথায় তুলে ধরতে চেয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
মাকে না বলা কথায় উঠে এসেছে একজন সন্তানের মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা সেই কথাগুলো, যা হয়তো প্রতিদিন অনুভব করা হয়, কিন্তু খুব কমই বলা হয় মা, তুমি আছো বলেই জীবনটা এত সুন্দর।
আমার চাকুরিজীবী ব্যস্ত মা
হ্যাঁ, আমার মা সত্যিই আলাদা
প্রতিটি সন্তানের কাছেই তার মা সেরা। তাই তুমিও আমাদের তিন ভাইয়ের কাছে সেরা মা।
লেখার শুরুতেই জোর দিয়ে কেন বললাম তুমি আলাদা মা? কারণ, ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ করে পৃথিবীর আলো দেখানোর পর অস্পষ্ট শব্দ, অহেতুক কান্না আর আধভাঙা কথাগুলো সবার আগে তুমিই বুঝেছো। এতটুকু তো সব মায়েরাই করে। কিন্তু তোমার গল্পটা ছিল একটু ভিন্ন।
তুমি ছিলে একজন চাকুরিজীবী মা। আমার জন্মের আগের গল্প বলতে পারবো না, তবে ছোট ভাইদের বেলায় তোমার সেই প্রতিদিনের যুদ্ধ আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পর ভোর ৫/৬টায় উঠে পরিবারের জন্য রান্না করা, ছোটুকে খাইয়ে, নিজের খাওয়া হোক বা না হোক সকাল ৭টার অফিস ধরতে ছুটে যাওয়া ছিল তোমার প্রতিদিনের বাস্তবতা।
বাবার স্থায়ী আয়ের উৎস না থাকায় পরিবারের হালটা তুমি নিজের কাঁধেই তুলে নিয়েছিলে।
সারাদিন অফিস করেও বিকেল ৩/৪টার দিকে বাসায় এসে ছোটুকে খাওয়ানো, আবার কাজে বেরিয়ে যাওয়া এসব ছিল তোমার নিত্যদিনের জীবন। রাতে ফিরে পরিবারের হাজারো আবদার, ছোটুর কান্না, খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানো সব সামলে আবার সকালে সেই একই চক্র। একটা পরিবার সামলানো, সন্তানদের মানুষ করা, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে ভাবতে তুমি কখনো নিজের জন্য ভাবার সময় পাওনি। মাস শেষে বেতন পাওয়ার পরও কখনো দেখিনি নিজের জন্য শখ করে কিছু কিনতে।
আমরা কী পড়বো, কী খাবো, ভবিষ্যতে কী হবো এসবই ছিল তোমার স্বপ্নের জায়গা। শুধু মা হিসেবেই নয়, মেয়ে হিসেবেও তুমি ছিলে অনন্যা।
তোমার মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব, বাবার পরিবারের সুখ-দুঃখ, ভালো-মন্দ সব এক হাতে সামলানো একজন অসাধারণ মানুষ তুমি। তুমি আমাদের জীবনটা সবসময় সহজ করে সাজিয়ে তুললেও, সময়ের অভাবে হয়তো অনেক সুন্দর মুহূর্তে তুমি নিজেই অনুপস্থিত ছিলে।
অনেক মানুষ তোমাকে বলেছে
তুমি সংসার পারো না,
তোমার রান্না ভালো না,
এটা পারো না, ওটা পারো না
কিন্তু আমরা তিন ভাই জানি, তুমি কী পারো। আমাদের প্রিয় গাজরের হালুয়া রান্না থেকে শুরু করে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অফিস করে এসে পরিবারের জন্য খাবার তৈরি করা এমন কিছু নেই যা তুমি করোনি।
তোমাকে নিয়ে লিখতে গেলে হয়তো এই লেখা কোনোদিন শেষ হবে না।
আমি তোমাকে অনেক, অনেক বেশি ভালোবাসি মা। আমাদের যাদের চাকুরিজীবী মা আছে, আমরা হয়তো ছোটবেলায় স্কুলের গেটে মাকে সবসময় পাইনি। সব অনুষ্ঠানে সবার মাঝে হয়তো আমাদের মা ছিল না। হঠাৎ ইচ্ছা হলেই হয়তো মাকে কাছে পাইনি।কিন্তু আমরা পেয়েছি একজন শ্রেষ্ঠ মা যিনি ঘর সামলে, বাইরে যুদ্ধ করে আমাদের বড় করে তুলেছেন। পৃথিবীর সব মায়েরাই তাদের সন্তানদের জন্য শ্রেষ্ঠ।
সব মায়ের প্রতি সম্মান রেখেই বলতে চাই, আমাদের চাকুরিজীবী মায়েরা সত্যিই আলাদা।
তাই আজকের এই বিশেষ দিনে জোর গলায় বলতে চাই “মা, তুমি সত্যিই আলাদা তুমি এক অনন্যা।”
মো. নাফিজুর রহমান নাসরাত,
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ জায়গাটা হয়তো মা শব্দটার মাঝেই লুকিয়ে আছে। তবুও অদ্ভুতভাবে, সবচেয়ে বেশি না বলা কথাগুলোও জমে থাকে মায়ের কাছেই। প্রতিদিন কত কথা বলি আমরা বন্ধুদের,সামাজিক মাধ্যমে,অপরিচিত মানুষদেরও। কিন্তু যে মানুষটা আমাদের নিঃশব্দ কান্নাও বুঝে যায়,তার কাছেই কিছু কথা বলা হয়ে ওঠে না।
মা,তুমি জানো?
অনেক রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে যায়, তখন আমি তাকিয়ে তাকিয়ে ভাবি তোমাকে কখনো ঠিক করে “ধন্যবাদ” কথাটিও বলা হয়নি।ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়ার আগে তোমার হাতের গরম ভাত,পরীক্ষার রাতে আমার পাশে জেগে থাকা,অসুস্থ হলে নিজের ঘুম ভুলে মাথায় পানি দেওয়া এসবকে আমি খুব স্বাভাবিক ভেবেছিলাম।বড় হয়ে আজ বুঝেছি,পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার নামই মা।
অনেক সময় রাগ করেছি তোমার ওপর।তোমার বকাঝকা, নিষেধ, অতিরিক্ত চিন্তা সবকিছুই তখন বিরক্ত লাগত।এখন বুঝি,তোমার প্রতিটি বকুনির ভেতর ভয় লুকিয়ে ছিল,ছিল আমাকে হারানোর ভয়, আমাকে কষ্টে দেখার ভয়। তুমি কখনো নিজের ভালোবাসা বড় বড় কথায় প্রকাশ করোনি,কিন্তু তোমার প্রতিটি কাজেই ছিল নিঃশব্দ মমতা।
আমরা বড় হওয়ার সাথে সাথে হয়তো দূরত্ব বাড়ে।ব্যস্ততা বাড়ে, কথাগুলো ছোট হয়ে আসে।খেয়েছো?, ভালো আছি এই সীমিত বাক্যের মাঝেই সম্পর্ক আটকে যায়। অথচ বলতে ইচ্ছে করে, মা, আমি এখনও তোমার ছোট্ট সন্তানটাই আছি।বাইরে যত শক্তই দেখাই,ভেতরে ক্লান্ত হলে এখনও তোমার কাছেই ফিরতে ইচ্ছে করে।
সব সন্তানেরই হয়তো কিছু না বলা কথা থাকে।কিন্তু কেউ বলতে পারে না ভালোবাসি,কেউ বলতে পারে না দুঃখিত,কেউ বলতে পারে না তুমি ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ।কিন্তু মায়েরা বোধহয় না বললেও বুঝে যান।
তবুও আজ বলতে ইচ্ছে করছে মা,তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়।তোমার জন্যই পৃথিবীটা এত কঠিন হওয়ার পরও বেঁচে থাকা সহজ লাগে। যদি কোনোদিন তোমাকে কষ্ট দিয়ে থাকি,ক্ষমা করে দিও।আর যদি কোনোদিন মুখে বলতে না পারি, তাহলে এই লেখাটাই জেনে রেখো,আমি তোমাকে পৃথিবীর সবকিছুর চেয়েও বেশি ভালোবাসি।
মো: শাহরিয়ার সাগর
আইন বিভাগ
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
---
মা এমন একজন চরিত্র যে চরিত্রের ব্যর্থতা থাকে না, যে চরিত্র মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগায় যুগ যুগ ধরে। বিশেষ করে একজন পুরুষের কাছে মা অমর হয়ে থাকে অন্তিম কাল অবধি। মায়ের অশ্রু বজ্রের মতো কাজ করে। হাদিসে আছে, মায়ের দোয়ায় আসমান আর জমিনের পার্থক্য থাকে না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক লোক জিজ্ঞেস করলেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি কার সেবা করব?” তিনি বললেন, “তোমার মায়ের।” সে আবার বলল, “তারপর কার?” রাসূল সা. আবার বললেন, “তোমার মায়ের।” আবার জিজ্ঞেস করলেন, “তারপর কার সেবা করব?” আবার রাসূল সা. বললেন, “তোমার মায়ের।” এভাবে তিনবার মায়ের কথা বলে তারপর বাবার সেবা করার কথা বললেন রাসূল সা.। এই হাদিস থেকে আমরা মায়ের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারি।
মায়ের দোয়া আমাদের জন্য অনেক প্রয়োজন, কারণ মায়ের দোয়া কবুল হতে সময় লাগে না। এক হাদিস থেকে এটা প্রমাণিত যে, রাসূল সা.-এর এক সাহাবী মায়ের চেয়ে নামাজকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। মায়ের সাথে কথা বলার সময় হতো না। তখন মা বিরক্ত হয়ে বদদোয়া করেছিলেন যে, “হে আল্লাহ! তার মৃত্যু দিয়ো না, যে পর্যন্ত না তাকে ব্যাভিচারিণীর অপবাদ দেখাও।” এরপর রাসূল সা. বললেন, তার মা যদি এর থেকেও কঠিন বদদোয়া করতেন, তাও কবুল হয়ে যেত। পরবর্তীতে সেই সাহাবীর উপর মিথ্যা অপবাদ আসে একসময়। যদিও পরবর্তীতে তিনি এই মিথ্যা থেকে মুক্তি পান, কিন্তু মায়ের কওল কখনো আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না।
আমার মা আমার জন্য এক রহমত হয়ে এসেছেন। আমার জন্য কত দোয়া করেছেন জায়নামাজে পড়ে পড়ে, তা বলে শেষ করা যাবে না। আমার অতীতে খুব কঠিন একটি রোগ ছিল। সবাই বলত, এই রোগ আমাকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে। কিন্তু আমার মা হাল ছাড়েননি। সংগ্রামী মায়ের মতো একদিকে হাসপাতালের দরজায় দরজায় গিয়েছেন, আবার অন্যদিকে জায়নামাজে দোয়া জারি রেখেছেন। এভাবে সাত বছরের সংগ্রামে আমার রোগ নিরাময় হয়েছে। আর মাতৃকালীন সংগ্রামের কথা কী বলব, তা তো সবার জন্যই প্রযোজ্য। সেই ঋণ তো কেউই শোধ করতে পারবে না।
আমার সব থেকে ভরসার স্থল যেমন আমার মা, তেমন আমি বিশ্বাস করি, আমার মায়েরও সব থেকে ভরসার স্থান আমি। প্রতিটি ছেলের কাছে মা এক অমূল্য রত্ন, আমার কাছে একটু বেশিই মনে হয়। “আম্মা তোমারে খুব ভালোবাসি” এই কথাটা কখনো বলা হয়নি, কিন্তু আমি জানি তুমি এই কথার মানে অনুধাবন করতে পারো। তুমি কারণ তুমি তো মা, আমার মা। তুমি তো আমার চেহারা দেখেই বলে দিতে পারো। তোমার সামনে কখনো মিথ্যা বলার সাহস হয় নাই, হলেও ধরে ফেলো। আমি তোমায় ভালোবাসি আম্মা।
মায়ের মতো রত্ন বেঁচে থাকতে কদর করা উচিত সবার। হারিয়ে গেলে সবারই আফসোস হয়, কিন্তু আমাদের আফসোসটা মা থাকতেই করা উচিত। মায়ের সেবা প্রতিটি সন্তানের কপালে যেন জোটে, সেই আকাঙ্ক্ষা রাখি সবসময়।
আশরাফুল ইসলাম,
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
---
মা শব্দ টা ছোট, কিন্তু কাহিনী অনেক বড়, যা হয়তো বা এ জীবনে বলে শেষ করার মতো না। নিজের বুকের উপর নিয়ে ঘুমানো সন্তানটা কে আলাদা রুমে আলাদা ঘরে আলাদা শহরে এমন কি আলাদা দেশে একা থাকার মতো বড় করে তুলার একটা প্রতিশব্দ এই মা। মা হচ্ছে এমন একজন ব্যাক্তি যে কখনো সন্তানের ভালোর প্রতিযোগিতায় ক্লান্ত হয়ে পড়ে না এবং সবচেয়ে অভাগাও সেই হয়। আমাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ সুন্দর জীবনের জন্য কতো না কষ্ট করে কিন্তু দিন শেষে সেই আদরের কলিজার টুকরা সন্তান কে ছেড়েই কাটাতে হয় কতো শত দিন এবং কতো বছর। হয়তো মনে মনে এইটা ভেবেও দুঃখ পায় যে এতো সুন্দর জীবন গুছাতে গিয়ে আমার সন্তান আমার কাছেই থাকে না কি দরকার ছিলো এতো গুছানোর কিন্তু তা প্রকাশ পেতে দেয় না। ঠিক যেমন টা কোনো উৎসবে বাসায় যাওয়ার পর যখন ছুটি ফুরিয়ে আসে,সময় হয়ে যায় মা-হীন শহরে ফিরে আসার। কাধে ব্যাগ হাতের মায়ের আদর ও যত্ন করে দেয়া খাবার গুলো নিয়ে মায়াহীন শহরের পথ ধরি ইচ্ছে না থাকা সত্যেও এবং বোক ফাটা কষ্ট হওয়া সত্যেও প্রকাশ না করে যেভাবে বলি আম্মা আর আসা লাগবে না তুমি বাসায় যাও আর হ্যাঁ আমার জন্য দোয়া কইরো ঠিক সেরকম ভাবেই মা তার মনের কষ্ট গুলো গোপন করে। আম্মা তুমি জিজ্ঞেস করো না যে কি জন্য বাসা থেকে আসার সময় তুমার দিকে তাকাই না তুমি আমার পেছন পেছন আসার সময় কেন পেছনে দেখি না, আম্মা আমার সেই সাহস এখনো হয় নাই যে তুমার দিকে তাকিয়ে তুমাকে বিদায় দিয়ে আসবো। আম্মা আমিও তুমার জন্য অনেক কষ্ট পাই কিন্তু প্রকাশ করতে পারি না। এখন কষ্ট পেলে অসুস্থ হলে নিজের যত্ন নিজে নেই কিন্তু তুমার সেই জাদুমাখা হাত বুলানোর মতো না। মা মানেই ত্যাগী মা মানেই মমতাময়ী মা মানেই রহমত মা মানেই নিরাপদ আশ্রয়। বাহিরে চলার পথে বিপদাপদ গুলোই মনে করিয়ে দেয় আল্লাহর কাছে তুমার দুই হাত তুলে করা দোয়া গুলার কথা। কোনো দিবস দিয়ে মা কে বিশ্লেষণ বা বিশেষায়িত করা যায় না বরং তাদের উপস্তিতিতেই প্রত্যেকটা দিন বিশেষ হয়ে ওঠে। পৃথিবীর প্রত্যেকটা মা ভালো থাকুক। ভালো থাকুক পৃথিবীর সব কয়টা সন্তানের অস্তিত্বের কারিগর।
“রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগীরা”
শুভ মা দিবস
মো: নাভিদ ইকবাল
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
মা হয়তো কখনো নিজের কষ্টগুলো প্রকাশ করেন না, কিন্তু সন্তানের সামান্য কষ্টও নীরবে বয়ে বেড়ান হৃদয়ের গভীরে। আমরা বড় হতে হতে ব্যস্ত হয়ে যাই নিজের জীবন, স্বপ্ন আর বাস্তবতার লড়াই নিয়ে অথচ যে মানুষটা নিঃস্বার্থভাবে আমাদের জন্য প্রতিদিন প্রার্থনা করে, তার কাছেই সবচেয়ে কম বলা হয় ভালোবাসি শব্দটা।
মা দিবস শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি উপলক্ষ। যারা আজও মায়ের সান্নিধ্য পাচ্ছেন, তারা যেন সময় থাকতে মাকে জড়িয়ে ধরে বলতে পারেন
মা, তোমার জন্যই আজ আমি এখানে।
আর যাদের মা দূরে আছেন কিংবা পৃথিবীতে নেই, তাদের জন্য মায়ের স্মৃতিই হয়ে থাকে জীবনের সবচেয়ে গভীর অনুভূতি। কারণ পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে, সবচেয়ে নির্মল ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার নাম মা, ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা।
আমার বার্তা/মো. আল শাহারিয়া সুইট/এমই

