ই-পেপার সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: আসামিদের জেল আপিল গ্রহণ, দ্রুত নিষ্পত্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৪ জুন ২০২৬, ১৪:০১

ঢাকার পল্লবীতে আট বছরের রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাই কোর্ট। দণ্ডিত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের এ আবেদন শুনানির জন্য রোববার গ্রহণ করে বিচারপতি মোহাম্মদ আলী নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

এদিকে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল আবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করে রায় কার্যকর দেখতে চায় বলে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন। তিনিই এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আপিল করেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুই আসামি।

আদালতের আদেশের পর নিজ কার্যালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল কাজল বলেন, “আদেশটি তারা (কোর্ট) সেকশনে পাঠিয়ে দেবেন। আমরা প্রত্যাশা করি, সেটি যাওয়ার পরেই রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ড রেফারেন্স শুনানির প্রস্তুতির কাজ অনেক দূর এগিয়ে যাবে, পেপারবুক তৈরি হয়ে যাবে।”

প্রত্যাশিত দুই কার্যদিবসের মধ্যে পেপারবুক তৈরির কাজ সম্পন্ন না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আপিলটা মঞ্জুর হয়েছে এবং সেই আপিলটা মৃত্যুদণ্ডের রেফারেন্সের সঙ্গেই শুনানি হবে। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী যে দুই কার্যদিবসের কথা বলা হয়েছিল, সেটি হয়নি।

“কারণ, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির জেল আপিল করার জন্য সাতদিন সময় থাকে। আইনি বাধ্যবাধকতার ওই সময়টুকু তাদের দিতে হবে।”

সোহেলের আপিল আবেদন প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “মূল দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আপিলের গ্রাউন্ড হিসেবে বলেছে- ‘আমি আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অটোরিকশা গ্যারেজে মিস্ত্রির কাজ করতাম, আমি নিয়মিত ইয়াবা বা মাদকাসক্ত ছিলাম। নেশাগ্রস্ত হওয়ার কারণে পরিবারে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। এই মামলার ভিকটিমের সাথে যে ঘটনা ঘটেছে, তা মাদকাসক্ত ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় হয়েছে। আমার আর্থিক অভাব, পারিবারিক অশান্তি, মাদকাসক্ত হওয়ার কারণে ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ও অবচেতনভাবে হয়েছে। কীভাবে যে ঘটনাটি ঘটেছে আমি বুঝতে পারি নাই। আমার একটি মাত্র ছেলের পড়াশোনা খরচ ও পরিবারের ভরণ-পোষণ করার মতো কেউ নেই। আমি ভুল করেছি, আমি ক্ষমা চাই’।”

এর আইনি দিক তুলে ধরে কাজল বলেন, “জেল আপিলের যে কারণ তিনি উল্লেখ করেছেন, তার মাধ্যমে প্রকারান্তরে তিনি ঘটনা স্বীকার করেছেন। তিনি পারিবারিক অশান্তি ও মাদকাসক্তির মতো কয়েকটি বিষয়ের কথা বলেছেন।

“এগুলো আপিল করার ক্ষেত্রে অনেকেই নিয়ে থাকেন। তবে নিম্ন আদালত যথাযথ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন কি না, চূড়ান্ত বিচারে সেটিই বিবেচনা হবে।”

স্বপ্নার আবেদন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা কাজল বলেন, “স্বপ্না বলেছে— ‘সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে আমি কোনো রূপ জড়িত নই। আমাকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। বিধায় আমি মহামান্য উচ্চ আদালতের নিকট খালাসের আবেদন জানাই।’”

আইনি প্রক্রিয়া ও আসামিদের সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আইনি সহায়তা দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রের রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় তার যা যা অধিকার, সবই দেওয়া হবে।

“আমাদের সংবিধানে দ্রুত বিচার পাওয়ার যে অধিকার দেওয়া আছে, একজন মানুষের তা পাওয়ার মৌলিক অধিকার। আইনের নির্ধারিত সময়সীমা মেনেই আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছি, এখানে তাড়াহুড়ো করার কিছু নেই।”

সব মামলাকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রের অবস্থান ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমরা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেকোনো মামলায় যতটুকু সিরিয়াস হওয়া দরকার, ততটুকু হব। প্রত্যেকটি মামলা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

“যারা দীর্ঘদিন ধরে কনডেম সেলে রয়েছেন, তাদেরও দ্রুত বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। যত তাড়াতাড়ি নিষ্পত্তি হবে, তত তাড়াতাড়ি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে—হয় শাস্তি হবে, নাহলে খালাস পাবেন। এটা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।”

আমার বার্তা /জেএইচ

রামিসা হত্যার দায় স্বীকার করে জেল আপিলে যা বলেছেন আসামি সোহেল

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা নিজের

এবার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার আর এস ফাহিম

রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনের এক মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর

দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে

নারী-শিশু মামলা নিয়ে বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের মামলা নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির গঠন করা বিশেষায়িত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাজেট বাস্তবায়নের ত্রিমুখী পথনকশা: অর্থ পাচার রোধ, দুর্নীতি দমন ও জনসচেতনতা

১ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ে হোয়াইটওয়াশ থেকে বাঁচলো অস্ট্রেলিয়া

নবজাতকের চোখে পানি ঝরলে করণীয়

বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের বাজেটে শ্রমিক-কৃষকদের বিশেষ জায়গা হয়নি: সাইফুল হক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুশকিন দিবস ও রুশ ভাষা দিবস উদযাপন

জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র-উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন: মির্জা ফখরুল

বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরায় শনাক্তের পর গ্রেপ্তার হয় বেনজীর

কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার অপেক্ষায় ৪৪ হাজার বেসরকারি শিক্ষক: শিক্ষামন্ত্রী

অযৌক্তিক অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি

কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি ছাত্র নিহত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুঁশিয়ার করলেন বিমানমন্ত্রী

ক্রিয়াঙ্গনে নতুন কুঁড়ি’কে তরুণ প্রতিভার বাতিঘর বললেন কবীর আহমেদ ভূঁইয়া

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ঐতিহাসিক অভিষেকেই ব্রাজিলকে কাঁপিয়ে দেওয়া কে এই আইয়ুব বুয়াদ্দি

শেবাচিম হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন তথ্যমন্ত্রী

কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বিএনপি নেতা নিহত

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব নাকচ মন্ত্রিপরিষদের

জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাকৃবিতে বিশেষ উদ্যোগ