
রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘জুলাই সনদ’কে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে এবং আসন্ন গণভোটে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণে ‘গণভোট ২০২৬’ উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়াুরি) সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জানানো হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন— এই তিনটি প্রধান ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করছে। রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত কমিশনগুলোর প্রস্তাবনা এবং সকল রাজনৈতিক দলের ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদ’। এই সনদকে স্থায়ীভাবে সংবিধানে রূপ দিতেই জাতীয় নির্বাচনের দিন একই সাথে গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে।
সভায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ভিডিও ক্লিপ তৈরি করেছে। তৃণমূল পর্যায়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে, তার মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রচারণা চালানোর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
সভায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সকল দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে গণভোটের গুরুত্ব এবং জুলাই সনদের বিস্তারিত প্রস্তাবসমূহ পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় গণভোটের কারিগরি ও প্রচারণামূলক বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আমার বার্তা/এমই

