
চোরের মায়ের বড় গলা, দুর্নীতির বরপুত্র আসিফের অবস্থাও সে রকম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেন, আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে।
অন্তত একজন আওয়ামীলীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি। নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ায় না কারণ তারা সবাই এসব তথ্য জানে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এসব দাবি করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদকে সতর্ক করার কথা জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি।
কিন্তু সে তোয়াক্কা করেনি। এই বিষয়টা এনসিপির প্রত্যেক নেতা জানে। এই বিষয়টা তাদেরকে জানালে তারা বলতো, আসিফ তো আমাদের কেউ না। তার সঙ্গে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নাই।
দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় না নিতে নাহিদ ইসলাম বহুবার গণমাধ্যম বলেছে, দুজন ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নাই।
তিনি দাবি করেন, আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিল। যে তথ্য আমি নিজে জানি। এছাড়া সেসময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম বেশকিছু তথ্য আমার কাছে আসে। এই দুজনের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম।
তিনি আমার দেওয়া তথ্য পেয়ে উত্তরে বলেছিলেন, ‘আমরা যে বেতন পায়, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়, স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?

