
বাংলাদেশ ফুটবল দল ইউরোপের মাটিতে ইউরোপের দলের বিপক্ষে কখনই খেলেনি। তাই জামালদের সান মারিনো সফর বাংলাদেশের ফুটবলের প্রেক্ষাপটে ঐতিহাসিক। আজ দুপুরে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশ দল সান মারিনোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
দেশ ছাড়ার সময় বিমানবন্দরে বাংলাদেশ দলেল সিনিয়র ফুটবলার তপু বর্মণ বলেন, ‘আমরা প্রথমবার ইউরোপে খেলতে যাচ্ছি। তাই সবাই বেশ ইচ্ছ্বসিত। আমরা সান মারিনোর বিপক্ষে জিতে দেশবাসীকে ঈদের উপহার দিতে চাই।’
সান মারিনোর র্যাংকিং ২১১। ফিফা র্যাংকিংয়ে তারা সবচেয়ে পেছনের দল। বাংলাদেশ ত্রিশ ধাপ এগিয়ে থাকলেও ইউরোপের দলের বিপক্ষে জয় পাওয়া সহজ হবে না, সেটাও জানেন তপু। তিনি বলেন, ‘আসলে তারা র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও তাদের অনেক ফুটবলার ইউরোপে খেলে। আবার তারা ইউরোপীয়ান দলগুলোর সঙ্গে খেলে। আমরা তাদের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটাই দেব।’
হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সময় কানাডা প্রবাসী ফুটবলার কাজেম শাহের বাংলাদেশ দলে অভিষেক হয়েছিল। তবে তিনি সেভাবে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। নতুন কোচ থমাস ডুলির অধীনে নতুন স্বপ্ন দেখছেন কাজেম। নতুন কোচ ডুলি সম্পর্কে বলেন, ‘আগের কোচের চেয়ে একটু পার্থক্য তো রয়েছেই। সে ট্যাকটিস নিয়ে বেশি কাজ করে। পাসিং ফুটবল পছন্দ করে এবং ফুটবলারদের সাথে ফ্রি-লি মেশে এবং স্বাধীনতাও একটু বেশি দেন।’
বাংলাদেশ দল ঢাকা থেকে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় পৌঁছাবে। সেখান থেকে ইতালির রোমের জন্য আরেক ফ্লাইট ধরতে হবে। সান মারিনো ইতালির মধ্যেই ক্ষুদ্র একটি দেশ। রোম থেকে পরবর্তীতে সান মারিনোতে পৌঁছাবেন জামালরা। হামজা-সামিত-জায়ান ২ জুন দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। এই প্রসঙ্গে সিনিয়র ফুটবলার তপু বর্মণ বলেন, ‘তারা দেরিতে আসায় কোনো সমস্যা হবে না। এক বছর আমরা এক সঙ্গে খেলছি। আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া বেশ ভালো।’
আমার বার্তা/এমই

