
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা সমবায় অফিসার মো. জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, সরাইল উপজেলা সমবায় অফিস পরিচালনার জন্য বিভিন্ন খাতে ব্যয় করার জন্য প্রতিবছর সরকারি বরাদ্ধ আসে। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের জন্য ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য ৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্ধ আসে। এ টাকা থেকে তিনি মোটর সাইকেলের জ্বালানী ও মেরামাত বাবদ দুবছরে ৮৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন যদিও মোটর সাইকেলের কোন অস্তিত্ব সরাইল উপজেলা সমবায় অফিস নেই। ভ্রমন ভাতা বাবত দুবছর তিনি উত্তোলন করেছেন ৩ লাখ ষাট হাজার টাকা আসলে ভ্রমনের কোনো তথ্য নেই।
এছাড়া দেখা গেছে অফিস সরঞ্জাম ক্রয় বাবতে ২৪-২৫ অর্থ বছরে ১ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে Toshiba e-Studio 2523A মডেলের ফটোকটি মেশিন ক্রয় করেন মুলত এ মেশিনের বাজার মুল্য ৪৫ হাজার টাকা। ২৫-২৬ অর্থ বছরে কম্পিউটার আনুসাঙ্গিক ক্রয় বাবদ ১ লক্ষ ২৫ টাকা উত্তোলন করে আসলে এগুলোর দাম প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
এছাড়াও বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, টেলিফোন, কম্পিউটার সামগ্রী, আসবাবপত্র, মনিহারি পণ্য ক্রয় সহ কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে। মনগড়া ভুয়া ভাউচার দিয়ে নয়ছয় হিসাব মিলিয়ে ফাইল করে রেখেছেন সমবায় কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণমাধ্যম কর্মিদের জামাল উদ্দিন বলেন, যখন যেটা প্রয়োজন তখন টাকা উত্তোলন করে ব্যয় করা হয়েছে। মোটর সাইকেলের তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি জেলা শহরে আমার বাসায় রয়েছে, মাঝে মাঝে শহরে ব্যবহার করি।
আমার বার্তা/মো. রিমন খান/এমই

